আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপকে শুধু টুর্নামেন্ট নয়, পূর্ণাঙ্গ বিনোদনের মঞ্চ বানাতে চাইছে ফিফা। তাই এবার একটিমাত্র উদ্বোধনী অনুষ্ঠান নয়, আয়োজক তিন দেশ—আমেরিকা, মেক্সিকো এবং কানাডার প্রথম ম্যাচের আগে আলাদা আলাদা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা নিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা। ‘দ্য অ্যাথলেটিকে’র রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রতিটি অনুষ্ঠানের জন্য ইতিমধ্যে একাধিক আন্তর্জাতিক শিল্পীর নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।
১১ জুন ঐতিহাসিক অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলবে মেক্সিকো। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকছে বহুচর্চিত মেক্সিকান রক ব্যান্ড ‘মানা’, গায়ক আলেহান্দ্রো ফার্নান্ডেজ, পপস্টার বেলিন্ডা এবং ‘লস অ্যাঞ্জেলেস আজুলেস’। দক্ষিণ আফ্রিকার তরফে পারফর্ম করবেন গায়িকা টায়লা।
একদিন বাদে টরন্টোয় বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিরুদ্ধে মাঠে নামবে কানাডা। সেখানে মঞ্চ মাতানোর কথা মাইকেল বুবলে, অ্যালানিস মরিসেট এবং আলেসিয়া কারার।
আমেরিকার প্রথম ম্যাচ প্যারাগুয়ের বিরুদ্ধে, লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফাই স্টেডিয়ামে। খেলার বাইরে প্রধান আকর্ষণ কেটি পেরি। পাশাপাশি থাকছেন র্যাপার ফিউচার এবং বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন ডিজে সঞ্জয়। আরও বড় চমক, ব্ল্যাকপিঙ্কের থাই তারকা লিসাকে চুক্তিবদ্ধ করেছে ফিফা। প্যারাগুয়ের শিল্পী মারিলিনা বোগাদোও অংশ নেবেন।
শুধু এই তিন অনুষ্ঠানই নয়, ফিফা আলাদা করে ‘গ্লোবাল ট্যালেন্ট’ তালিকাও তৈরি করেছে। সেখানে রয়েছেন জে বালভিন, ড্যানি ওশেন, এলিয়ান্না এবং ভেজিড্রিম। কানাডিয়ান শিকড় থাকা শিল্পীদের অন্যতম জেসি রেয়েজ, নোরা ফাতেহি এবং উইলিয়াম প্রিন্স।
ফিফার পরিকল্পনা অনুযায়ী, ম্যাচ শুরুর ৯০ মিনিট আগে দর্শকদের স্টেডিয়ামে ঢোকানো হবে। মেক্সিকোর অনুষ্ঠান চলবে প্রায় ১৬ মিনিট ৩০ সেকেন্ড। আমেরিকা এবং কানাডার প্রোগ্রাম ১৩ মিনিটের। এরপর শুরু হবে নিয়মমাফিক ম্যাচ-পূর্ব অনুষ্ঠান।
৪ জুলাই আমেরিকার স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আলাদা অনুষ্ঠানও রাখছে ফিফা। ওই দিন হিউস্টন এবং ফিলাডেলফিয়ায় বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর দুটি ম্যাচ রয়েছে। সেই দুই ম্যাচের আগে বিশেষ ‘আমেরিকা ২৫০’ থিমে অনুষ্ঠান সাজানো হতে চলেছে। ঠিক কীভাবে মার্কিন মুলুকের ইতিহাস তুলে ধরা হবে, এখনও স্পষ্ট নয়। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইতিমধ্যেই ‘ফ্রিডম ২৫০’ উদযাপনকে বড় করে তুলতে উদ্যোগী। হোয়াইট হাউস টাস্ক ফোর্স ২৫০ তৈরি হয়েছে। জাতীয় প্রার্থনা অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে ‘প্যাট্রিয়ট গেমস’ আয়োজন—সবই মূল প্রকল্পের অংশ।
ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ানি ইনফান্তিনোর সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা বাড়ছে। ট্রাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, নির্বাচনী সভা এমনকি সৌদি আরব ও কাতার সফরেও উপস্থিত ছিলেন ফিফা সভাপতি। সম্প্রতি ট্রাম্পের ‘বোর্ড অফ পিস’-এর বৈঠকেও দেখা যায় তাঁকে। মাথায় ‘USA 45-47’ লেখা লাল টুপি!
১৯ জুলাই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালের আগে এবং হাফটাইমেও আলাদা আয়োজনের কথা। তবে সেই অনুষ্ঠানের শিল্পীদের নাম এখনও গোপন রেখেছে ফিফা।
১১ জুন ঐতিহাসিক অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলবে মেক্সিকো। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকছে বহুচর্চিত মেক্সিকান রক ব্যান্ড ‘মানা’, গায়ক আলেহান্দ্রো ফার্নান্ডেজ, পপস্টার বেলিন্ডা এবং ‘লস অ্যাঞ্জেলেস আজুলেস’। দক্ষিণ আফ্রিকার তরফে পারফর্ম করবেন গায়িকা টায়লা।
একদিন বাদে টরন্টোয় বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিরুদ্ধে মাঠে নামবে কানাডা। সেখানে মঞ্চ মাতানোর কথা মাইকেল বুবলে, অ্যালানিস মরিসেট এবং আলেসিয়া কারার।
আমেরিকার প্রথম ম্যাচ প্যারাগুয়ের বিরুদ্ধে, লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফাই স্টেডিয়ামে। খেলার বাইরে প্রধান আকর্ষণ কেটি পেরি। পাশাপাশি থাকছেন র্যাপার ফিউচার এবং বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন ডিজে সঞ্জয়। আরও বড় চমক, ব্ল্যাকপিঙ্কের থাই তারকা লিসাকে চুক্তিবদ্ধ করেছে ফিফা। প্যারাগুয়ের শিল্পী মারিলিনা বোগাদোও অংশ নেবেন।
শুধু এই তিন অনুষ্ঠানই নয়, ফিফা আলাদা করে ‘গ্লোবাল ট্যালেন্ট’ তালিকাও তৈরি করেছে। সেখানে রয়েছেন জে বালভিন, ড্যানি ওশেন, এলিয়ান্না এবং ভেজিড্রিম। কানাডিয়ান শিকড় থাকা শিল্পীদের অন্যতম জেসি রেয়েজ, নোরা ফাতেহি এবং উইলিয়াম প্রিন্স।
ফিফার পরিকল্পনা অনুযায়ী, ম্যাচ শুরুর ৯০ মিনিট আগে দর্শকদের স্টেডিয়ামে ঢোকানো হবে। মেক্সিকোর অনুষ্ঠান চলবে প্রায় ১৬ মিনিট ৩০ সেকেন্ড। আমেরিকা এবং কানাডার প্রোগ্রাম ১৩ মিনিটের। এরপর শুরু হবে নিয়মমাফিক ম্যাচ-পূর্ব অনুষ্ঠান।
৪ জুলাই আমেরিকার স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আলাদা অনুষ্ঠানও রাখছে ফিফা। ওই দিন হিউস্টন এবং ফিলাডেলফিয়ায় বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর দুটি ম্যাচ রয়েছে। সেই দুই ম্যাচের আগে বিশেষ ‘আমেরিকা ২৫০’ থিমে অনুষ্ঠান সাজানো হতে চলেছে। ঠিক কীভাবে মার্কিন মুলুকের ইতিহাস তুলে ধরা হবে, এখনও স্পষ্ট নয়। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইতিমধ্যেই ‘ফ্রিডম ২৫০’ উদযাপনকে বড় করে তুলতে উদ্যোগী। হোয়াইট হাউস টাস্ক ফোর্স ২৫০ তৈরি হয়েছে। জাতীয় প্রার্থনা অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে ‘প্যাট্রিয়ট গেমস’ আয়োজন—সবই মূল প্রকল্পের অংশ।
ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ানি ইনফান্তিনোর সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা বাড়ছে। ট্রাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, নির্বাচনী সভা এমনকি সৌদি আরব ও কাতার সফরেও উপস্থিত ছিলেন ফিফা সভাপতি। সম্প্রতি ট্রাম্পের ‘বোর্ড অফ পিস’-এর বৈঠকেও দেখা যায় তাঁকে। মাথায় ‘USA 45-47’ লেখা লাল টুপি!
১৯ জুলাই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালের আগে এবং হাফটাইমেও আলাদা আয়োজনের কথা। তবে সেই অনুষ্ঠানের শিল্পীদের নাম এখনও গোপন রেখেছে ফিফা।
ক্রীড়া ডেস্ক